Monday, 29 June 2020

সিলেটের ইফজাল হত্যার বিচার চায় সিলেট বাসী

ইফজাল আমার এলাকা তথা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সন্তান। এই তরুন বয়সে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু মেনে নেয়া কষ্টকর। তার এমন বিদায়ে যেহেতু রহস্য আছে, আমি চাই সেই রহস্য উদঘাটিত হোক। রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অথরিটির মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্ত হোক। তদন্তের মাধ্যমে যদি প্রমাণিত হয় যে এটা একটা নির্মম হত্যাকান্ড, তাহলে অবশ্যই এর ন্যায় বিচার করতে হবে। 
সাধারণত পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে ইনভেস্টিগেশন করা। তাছাড়া সাংবাদিকরাও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে থাকেন। যা পুলিশের জন্য সহায়ক ভুমিকা রাখে। এর বাইরে সোসাল মিডিয়ায় যা প্রচার করা হয় তার প্রকৃত অর্থে কোন ভেল্যু নেই। তবে প্রমাণ থাকার পরেও পুলিশ ইচ্ছে করে কোন ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চাইলে তখন মাঠের আন্দোলনের পাশাপাশি সোসাল মিডিয়ায় সরব ভুমিকা অনেক কাজ দেয়। 

আসুন, সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করি। সোসাল মিডিয়ায় ইফজালের পরিবারকে জড়িয়ে এখন যা প্রচার করা হচ্ছে তা, যে কোন বিচারে সঠিক নয়। পরিবারের কেউ চায়না তার আপনজন এভাবে দুনিয়া থেকে চলে যাক। মা তো নয়ই। পরিবারের কেউ জড়িত হলে অবশ্যই তার বিচার হতে হবে। তবে শেষমেশ পরিবারের কেউ জড়িত না থাকলে সোসাল মিডিয়ায় কেউ কেউ এখন যা প্রচার করছেন তা ইফজালের শোক সন্তপ্ত পরিবারের জন্য বিশেষ করে তার মায়ের জন্য 'মরার উপর খাড়ার ঘা' হিসেবে দেখা দেবে। কাজেই একটা জুলুমের প্রতিকার চাইতে গিয়ে যেন আমরা আরেকটা জুলুম করে না ফেলি সে দিকে খেয়াল রাখা ন্যায় বিচারের স্বার্থেই জরুরী । 

লেখক আবু সালেহ 

Tuesday, 23 June 2020

সিলেটের একজন সাবেক মন্ত্রীর কষ্টের কাহিনী হৃদয়ে লাগে।

সরকারের সাবেক একজন মন্ত্রী। এক সময় বিদেশে ছিলেন। পড়াশুনা করা লোক। লেখালেখিও করেন। জাতীয়-আন্তর্জাতিক সংস্থার পদে ছিলেন বিদেশে। তখন শেষ জীবনে থাকার জন্যে ঢাকার ধানমন্ডিতে একটা বাড়ি কেনেন।
ওপরে নীচে দশ বারোটি রূম। অনেক দিন ধরে বাড়িটি নিজের মতো করে সাজাচ্ছিলেন। বিদেশে থাকা স্বত্ত্বেও বাড়িটি কখনও তিনি ভাড়া দেননি। যখন মন্ত্রী হলেন তখন থাকতেন সরকারি বাংলোয়।
ওই সময় বাড়িটায় থাকতেন তাঁর ছেলে শাহেদ। কিন্তু সরকারি ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় পর এই সাবেক দাপুটে মন্ত্রী পড়লেন ভিন্ন এক সমস্যায়। যে সমস্যা তিনি বাইরে কারও সঙ্গে শেয়ার করতেও পারেননা।
কারন সমস্যা তাঁর ছেলে শাহেদ। বাবা মন্ত্রী থাকতে বাবা’র নাম ভাঙ্গিয়ে নানাকিছু করেছে। কিন্তু এখন বাবার মন্ত্রিত্ব নাই দেখে সে বাবাকে অচ্ছুত ক্ষমতাহীন ভাবতেও শুরু করে দেয়! বাবাকে তাঁর নিজের বাড়িতে উঠতে দিতে চায় না।
তার বক্তব্য, দশ বছর ধরে বাড়িটায় ফ্যামিলি নিয়ে থাকতে থাকতে সে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কাজেই বাবা-মা তথা বুড়োবুড়ির এখন আর এ বাড়িতে আসার দরকার নেই! দরকার হলে সে বাবাকে অন্য কোথাও বাড়ি ভাড়া করে দেবে।
আলীশান বাড়ি হবে সেটি। বাবা-মা’কে দেখাশুনা রান্না করে খাওয়ানোর জন্যে রেখে দেবে দু’জন কাজের লোক। এরপরও বুড়ো-বুড়ি যাতে এ বাড়ির দিকে না আসেন। এ নিয়ে মানসিক বিড়ম্বনায় পড়েন সাবেক মন্ত্রী।
না কিছু কইতে পারেন। না কিছু সইতে পারেন। অন্যদিকে তিনি যে সরকারি বাংলোয় থাকতেন সে বাড়ি অন্য মন্ত্রীর জন্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সে বাড়িতে নতুন মন্ত্রীর পরিবার উঠবে। তারা তাগাদা দিচ্ছে।
অথচ সাবেক মন্ত্রীর বড় আশা ছিল ছেলে-ছেলের বউ, নাতি-নাতনি নিয়ে এক বাড়িতে থাকবেন। এরজন্যে তিনি এত বড় বাড়ি করেছিলেন। কিন্তু ছেলে তাঁকে তাঁর স্বপ্নের নিজের বাড়িতে উঠতে দিতে চায় না!
উল্টো তাঁকে পাঠাতে চায় এক রকম বৃদ্ধাশ্রমে! সাবেক মন্ত্রী তাঁর ছেলেবেলা, বাবা-মা’র সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক, তাদের যৌথ পরিবারের আনন্দময় জীবনের কথা ভাবেন আর চোখ মোছেন। আগে সবাই কি আনন্দে দিন কাটাইতেন।
বাড়িতে তার বাবা, দাদা সবাই মিলে এক সঙ্গে পাটি মিলিয়ে বসে খেতে বসতেন। তাঁর মা, বড় বোন, ভাবী কত যত্মে আদর করে তাদেরকে খাওয়াতেন। প্রথমে দাদা’র, এরপর বাবা’র প্লেটে খাবার দেয়া হতো।
পরিবারের পুরুষ মুরব্বিদের সিরিয়াল আগে। বড়মাছের মাথাটাও দেয়া হতো তাদের প্লেটে। মুরব্বিরা পরে সেটি সবাইকে ভাগ করে দিতেন। আগের সম্পন্ন পরিবারের নানান রেওয়াজও ছিল ভিন্ন।
প্রতিদিন রান্নার আগে বাড়ির বৌ অনুমতি নিতেন পরামর্শ করতেন শাশুড়ির সঙ্গে। কী পরিমান ভাত রান্না করবেন। কী কী তরকারি থাকবে। আর এখনকার সমাজ সংসার কেমন বদলে গেলো!
শাহেদকে বড় আদরে তারা বড় করেছেন। পড়াশুনা করিয়েছে ইংরেজি মাধ্যমে। বিদেশেও পড়িয়েছেন। সে ছেলের বয়সও এখন প্রায় পঞ্চাশ। বাবা মন্ত্রী থাকতে সে ধানমন্ডির বাড়িতেই ছিল।
মন্ত্রিত্ব থেকে সরে দাঁড়াবার পর যখন নিজের বাড়িতে উঠতে বাধা পেলেন ছেলের তখন বাধ্য হয়ে তিনি এক শীর্ষ কর্মকর্তার স্মরনাপন্ন হন। তারা ঠিক করলেন বিষয়টি গোপন রাখতে হবে।
সাবেক মন্ত্রী কান্না জড়িত কন্ঠে সেই কর্মকর্তাকে বলেন, “আমি এখন অবসরে। দলে কোন পদেও নেই। আমার আর বাকি জীবনে, কোন পদে যাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। তাই তুমি যদি পারো আমাকে আমার বাড়িতে উঠিয়ে দাও।”
পরিকল্পনা মাফিক গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন সাদা পোশাকে বাড়িটায় যান। সেখানে গিয়ে তারা শাহেদকে তাদের পরিচয় দেন। এরপর তারা তার বাবা সাবেক মন্ত্রীর জিনিসপত্র তাদের রূমগুলোয় গুছিয়ে তাদের তুলে দেন নিজের বাসায়।

ওই সময়ে সেখানে সেই কর্মকর্তার ফোন যায়। ফোনটি তাঁর, যিনি পুরো আয়োজনটি সাজিয়েছেন। লাউড স্পিকারে ফোনের কথাবার্তা শাহেদকে শোনানো হয়। “সব ঠিক আছে, তারপর বললেন আচ্ছা আচ্ছা, কোন ঝামেলা হয়নিতো,
না স্যার। ঠিকমত নিজের রুমে গিয়ে সবকিছু গুছিয়ে নিতে পেরেছেন?। তারপরে বললেন, আচ্ছা তুমি আমাকে চিন্তা থেকে মুক্ত করলে, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ ব্যাপারটি যেন বাহিরের লোক না জানে।”

মিশন সাকসেসফুল হবার পরপরই আরেকটা টেলিফোন আসলো, এবার লাউডস্পিকারে ওপাশ থেকে শোনানো হয়, স্যার মিনিস্টার স্যারকে দোতালার মাস্টার বেডরুমে উনার সবকিছু সাজিয়ে গুছিয়ে দিয়ে এসেছি।
ওনার জন্য একটা রিডিং রুম রেডি করে ওনার যাবতীয় বইপত্রসহ সবকিছু গুছিয়ে দিয়েছি, স্যার এইমাত্র ঘরে এসে ঢুকেছেন। আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি এখন চলে আসছি।
যে কর্মকর্তা এই কাজটি করেছেন তিনিও এখন একজন সাবেক আমলা। মিশন সাকসেসফুল হবার পর তিনি বলেছেন, এই জীবনে এই প্রথম সরকারের প্রশাসন যন্ত্র ব্যবহার করে, একটু ক্ষমতা দেখালাম’।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলেছিলাম, স্যারের ছেলে জানবে তোমরা কারা, কোন কিছু বলতেও পারবেনা আর সহ্য করতেও পারবে না। আর ছেলে যদি কিছু বলে, তাহলে শক্তি প্রয়োগ করবে।
তাকে কোন একটা ঘরে নিয়ে জানালা দরজা বন্ধ করে দিয়ে, জবাব দিয়ে দিতে বলবা যে, এটা তোর বাবার আশ্রয় ।” এরপর নির্বাক মুখোমুখি কিছুক্ষণ পরষ্পরের দিকে তাকিয়ে থাকা।
সাবেক মন্ত্রী আস্তে আস্তে বললেন, জীবনের এই পর্যায়ে নিজের মাথা গোঁজার স্বপ্নের শেষ আশ্রয়ের দখল নিতে হলো। আমাদের এই সাবেক মন্ত্রীর নাম আবুল মাল আব্দুল মুহিত। যিনি তাঁকে সহায়তা দিয়েছেন তিনি নজিবুর রহমান।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ( লেখাটি লেখকের ফেইসবুক থেকে নেওয়া)

http://sylhetwatch24.net/%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d/

Thursday, 28 May 2020

এই করোনা পরিস্থিতিতে আপনি ঘর থেকে বের হলে যা করবেন।

ডা. মহসীন আহমদ :; বর্তমানে সারা বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। আশেপাশে কে কী করছে; তা দেখার দরকার নেই, নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার জন্য সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে, এটাই এখন একমাত্র করণীয়।

ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন। অন্তত বছরখানেক এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অতি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে হলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্যরা কি ব্যবস্থা নিবেন; তা নিয়ে এই লেখা।

• ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পাতলা সুতির পুরাতন ফুল হাতার জামা /পাঞ্জাবি ও একটু লুজ ফিটিং প্যান্ট / পাজামা পরে বের হবেন। জিন্স অথবা টাইট ফিটিং ড্রেস না পরাই ভালো। জুতা ও মোজা অবশ্যই পরবেন। অবশ্যই সার্বক্ষণিক মাস্ক পরে থাকতে হবে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী ছাড়া বাকিরা পিপিই পরবেন না।

গ্লাভস ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। সারাদিন একটা গ্লাভস পরে থাকলে লাভের চেয়ে ক্ষতির শঙ্কাই বেশি। বরং সঙ্গে হেক্সিসল অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন।

• পাতলা, লুজ ফিটিং পুরাতন সুতির কাপড় পরার কারণ হল, এটি আরামদায়ক এবং লম্বা সময় পরিধান করে থাকলেও ঘামের সমস্যা কম হবে। বাসায় ফিরে গোসল করেই পরিধেয় কাপড় ধুয়ে ফেলা সহজ হবে এবং তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

নিজের কাজ নিজেই করার অভ্যাস করতে হবে। বাসার বাইরের গৃহকর্মীদের করোনাকালে বাসায় ঢুকতে দেবেন না। এটা আপনার ও পরিবারের জন্য আত্মহত্যার শামিল।

• তিন স্তর বিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা উচিত সবার। কাপড়ের মাস্ক কোনো ভাইরাস সুরক্ষা দিতে পারে না। যেখান সার্জিক্যাল মাস্ক ৮০ ভাগ সুরক্ষা দেয়।

সেক্ষেত্রে আমরা ৫টি মাস্ক বাসায় রাখতে পারি। যত্ন করে ব্যবহার আর সংরক্ষণ করলে অনেকদিন পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব। প্রথম মাস্কটি ব্যবহারের পরে না ধুয়ে একটি পলিথিনে ভরে বারান্দায় ঝুলিয়ে রেখে দিবেন। এর পর দ্বিতীয়টি ব্যবহার করবেন, এভাবে প্রথমটি আবার ষষ্ঠ দিনে ব্যবহার করবেন।

কিন্তু কোনো কারণে ছিঁড়ে গেলে একটি বদ্ধ ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন। অনেকে কথা বলার সময় মাস্ক নামিয়ে কথা বলেন। সেটা কোনোভাবেই করা যাবে না।

মাস্কের সামনের অংশে হাত দেয়া যাবে না, এতে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যাদের জরুরি প্রয়োজনে বাসা থেকে নিয়মিত বের হতে হয়, তারা বাসায়ও মাস্ক ব্যবহার করলে ভালো হয়। এতে বাসার অন্য সদস্যরা নিরাপদ থাকবে।

• বাংলাদেশে সার্জিক্যাল মাস্ক অপ্রতুল বিধায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এর সরবরাহ বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্যরা ঘরে তৈরি সুতির সাধারণ মাস্ক পরবেন।

মাস্ক একটু বড় আকারের বানাবেন যাতে চোখের নীচ থেকে থুতনি পর্যম্ত আবৃত থাকে। মাস্কের সামনের অংশে কোনভাবেই স্পর্শ করা যাবে না। মাস্ক প্রতিদিন বাসায় ফিরে ধুয়ে ফেলবেন।

যাদের জরুরি প্রয়োজনে নিয়মিত বের হতে হয়, তারা বাসায়ও মাস্ক ব্যবহার করলে ভালো হয়। এতে বাসার অন্য সদস্যরা নিরাপদ থাকবে।

• চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কারো পিপিই পড়ার প্রয়োজন নেই। পিপিই পড়ে শুধুমাত্র একটা রুমে অথবা নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে থাকতে হবে। পিপিই পড়ে খাওয়া দাওয়া এমন কি টয়লেট করা যাবে না। চিকিৎসকরাও নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে পিপিই পড়ে বের হবেন না।

• পিপিই নির্ধারিত এলাকায় খুলে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে এলাকা ত্যাগ করবেন। রাস্তা ঘাটে পিপিই পরা অপরাধ, এতে আপনি প্রকারান্তরে অন্যের ক্ষতি করছেন।

পুরো পিপিই একটা ইনফেক্টেড বোমার মতো। এটা পরে হয়তো আপনি সুরক্ষিত, কিন্তু আপনার আসেপাশের সবাই অরক্ষিত, এটা মনে রাখবেন। বাসায় এটা পরে এলে অন্যরা সহজেই ইনফেক্টেড হয়ে যাবে। এটা খোলার সময়ে আপনি নিজেও ইনফেক্টেড হতে পারেন।

পিপিই ব্যবহারের প্রশিক্ষণের অভাবই চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মী এবং সুরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের এক সঙ্গে ইনফেক্টেড হওয়ার প্রধান কারণ।

• গ্লাভস ব্যবহার করে লাভের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ প্রতি ঘন্টায় ২৫ বার মুখের বিভিন্ন অংশে হাত দেয়। গ্লাভস পরে আপনি মুখের বিভিন্ন জায়গায় হাত দিলে ইনফেক্টেড হয়ে যাবেন।

সেক্ষেত্রে বার বার গ্লাভস পরিবর্তন করতে হবে। গ্লাভস না পরলে আপনি বার বার হাত পরিষ্কার করবেন, সেটাই শ্রেয়। দরজা, লিফটের বাটন, বৈদ্যুতিক সুইচ ধরার সময় হাতের কনুই ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে।

• হাত ধোয়া কিংবা পরিষ্কারের বিকল্প নেই। সারাদিন বার বার সাবান দিয়ে কমপক্ষে ৪০ সেকেন্ড হাত ধুইতে হবে।

পানি ও সাবান না থাকলে হেক্সিসল অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। পুলিশ, আর্মি, সাংবাদিকসহ যারা রাস্তাঘাটে পাবলিক সার্ভিসের কাজ করেন, তাদেরকে পিপিই কিংবা গ্লাভস না দিয়ে পর্যাপ্ত মাস্ক, হেক্সিসল / হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করা প্রয়োজন।

তারা প্রতি ঘণ্টায় নিয়মিত চারবার হাত পরিষ্কার করবে। ইনফেক্টেড জায়গা স্পর্শের সন্দেহ হলেই সাথে সাথে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

• সবাইকে জুতা ও মোজা পরার অভ্যাস করতে হবে। ঘরে ঢুকার আগে জুতার তলা অবশ্যই ব্লিচিং পাউডারের পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মোজা প্রতিদিন ধুইতে হবে।

• বাইরে বের হলে ৬ ফুট শরীরিক দূরত্ব বজায় রাখা উত্তম, কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। তাই গণপরিবহন পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন। বাংলাদেশে শহরগুলো খুব ছোট, খুব সহজেই হেঁটে চলাচল করা সম্ভব। তাই, হাঁটার অভ্যাস করুন, শরীর আর মন দুটোই ভালো থাকবে। প্রয়োজনে সাইকেল বা নিজস্ব বাহন ব্যবহার করবেন।

আপনার প্রাইভেট গাড়ির ড্রাইভার থেকেও আপনি ইনফেক্টেড হতে পারেন। সেক্ষেত্রে নিজে ড্রাইভ করুন অথবা ড্রাইভারের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। রাস্তাঘাটে, অফিসে, বাজারে মানুষ আপনার ঘাড়ে এসে পড়তে পারে, আপনি নিজ দায়িত্বে ৩-৬ ফুট দুরত্ব বজায় রাখুন।

• বাজার খোলা জায়গায় করা ভালো। কারণ, বদ্ধ সুপারশপে এসি থেকে ইনফেক্টেড হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যথাসম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলবেন। সেলুনে চুল কাটাবেন না, বাসায় নিজে অথবা অন্যের সাহায্যে চুল কাটাবেন।

Saturday, 16 May 2020

ব্রাজিলে গত ২৪ ঘন্টায় ১৫ হাজারের বেশি আক্রান্ত, একমাসে পদত্যাগ করেন দুই সাস্থ্যমন্ত্রী।

ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে সংক্রমণ পাওয়া গেছে ১৫ হাজার ৩০৫ জনের মধ্যে, যা দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা। তাতে লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ২২৩ জন।
চব্বিশ ঘণ্টায় ব্রাজিলে কভিড-১৯-এ মৃত্যু হয়েছে আরও ৮২৪ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮১৭ জনে। বৈশ্বিক আক্রান্ত-মৃত্যু উভয় তালিকাতেই ব্রাজিলের অবস্থান এখন ষষ্ঠ।
এদিকে আল-জাজিরা জানিয়েছে, দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ করোনাভাইরাসের আক্রান্তের দিনই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেলসন টেইশ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না তার।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব উঠতির দিকে থাকায় সরকারের লকডাউন শিথিলের বিরুদ্ধে মত দেন টেইশ। সেই সঙ্গে করোনার চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ প্রয়োগেও আপত্তি জানিয়েছিলেন তিনি। এসবের জন্য টেইশকে ‘ভিতু’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বলসোনারো।
প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরেই তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছে ব্রাজিল সরকারের একজন কর্মকর্তা। এই নিয়ে গত এক মাসে দেশটির দুজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী দায়িত্ব ছাড়লেন। গত ১৬ এপ্রিলে করোনাভাইরাস মোকাবিলা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী লুইস হেনরিক মেনদেতা পদত্যাগ করলে দায়িত্বে নেন টেইশ।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া বলসোনারোকে ধন্যবাদ দেন টেইশ। জানান, যে কয়দিন দায়িত্ব পালন করেছেন তাতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়েছেন। তবে কেন পদত্যাগ করছেন এ ব্যাপারে কোনো কারণ উল্লেখ করেননি তিনি।
বিশ্বে করোনার অন্যতম হটস্পট এখন ব্রাজিল। কিন্তু দেশটির প্রধানমন্ত্রী লকডাউন বিরোধী। এর কারণে গত এপ্রিলে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তখনকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী লুইজ হেনরিক মেন্ডেটা। এবার একই কারণে সদ্য নিয়োগ পাওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেলসন টেইসও পদত্যাগ করলেন।

   

ভারতে আর একজন মুসলিম নির্যাতিত হলে ভারতীয়দের আমিরাতে ঢুকতে দেয়া হবেনা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজ’পরিবারের সঙ্গে যুক্ত প্রিন্সেস হেন্দ আল কাসেমি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের টাইম’লাইনে বিদ্বেষপূর্ণ ও ইসলা’মোফোবিক মন্তব্যের বিরু’দ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে যাচ্ছেন।

এসব মন্ত’ব্যের বেশিরভাগ আসছে আরব আমিরাতে কর্মরত ভার’তের হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের কাছ থেকে। -সাউথ এশিয়ান মনিটর, সিএনএন, নিউজ এইট্টিন

এতে উদ্বিগ্ন দেশটিতে নিযুক্ত ভার’তীয় রাষ্ট্রদূত পবন কাপুর। ভারতীয় নাগরিক’দের সম্বন্ধে বলেন যে, বৈষম্য আমাদের নৈতিক বুনন ও আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং আমিরাতে বাস করা ভারতী’য়দের এটা মনে রাখতে হবে। বিশেষ করে কিছু ব্যক্তির মন্তব্যের কারণে একই স’ঙ্গে বেদনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই রাজকন্যা।

তিনি বলেন, আমিরাত ও ভার’তের সম্পর্ক শত বছরের পুরনো। কিন্তু এই প্রবণতা নতুন। ভারতী’য়দের কাছ থেকে আগে কখনো এমন বিদ্বেষমূলক আচরণ আমরা পাইনি।

প্রিন্সে’স হেন্দ যদিও স্বীকার করেন যে, কিছু ব্যক্তির এ ধরনের মন্তব্য আরব আমি’রাতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয়ের প্রতিনিধিত্ব করে না কিন্তু তিনি বেশ কায়দা করে ভারতী’য়দের জন্য একটি হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন এভাবে: শুধু মুসলিম ও খ্রিস্টান আমরা কাদে’রকে আমিরাতে জায়গা দেবো সেটা বেছে নিতে ভারত কি আমাদেরকে বাধ্য করছে? আমরা এই প্রশ্ন তুলিনি।

আমাদের কাছে তারা সবাই ভারতীয়। তারা ভারতীয় মুসল’মান বলে আমরা শুধু তাদের সঙ্গে কাজ করবো ,এভাবে কাউকে আমরা আলাদা’ভাবে ভাগ করিনি। দূতাবাসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী আরব আমিরাতে প্রায় ৩৫ লাখ ভারতীয় রয়েছে, যারা দেশটির জনসংখ্যার তিন ভাগের এক ভাগ। ভারতী’য়রাই সেখানে সবচেয়ে বড় বিদেশী জাতিগোষ্ঠী।

প্রিন্সেস হেন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমি যদি প্রকা’শ্যে বলি যে ভারতীয় হিন্দুদের আমিরাতে মেনে নেয়া হবে না, তাহলে ভারতীয়দের কেমন লাগবে? প্রতি’বছর আমিরাত থেকে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার রেমি’ট্যান্স ভারতে যায় – গত বছরও গিয়েছে। ভাবুন, সেটা বন্ধ হয়ে গেলে কেমন হবে? ভারতীয়রা এখানে কঠোর পরি’শ্রম করে। আমি মনে করিনা তারা ওইসব লোককে পছ’ন্দ করবে যারা তাদের ভুল প্রতি’নিধিত্ব করছে। তিনি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি নন উল্লেখ করে প্রিন্সেস বলেন যে এ কারণে তার উদ্বে’গ নিয়ে ভারত সরকা’রের সঙ্গে কথা বলেন’নি। তবে তার সঙ্গে সাবেক ভার’তীয় রাষ্ট্রদূত নবদীপ সুরির যোগা’যোগ রয়েছে। তিনিও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে প্রিন্সেসের বক্তব্য ‘জোরালো ও স্পষ্ট’।

প্রিন্সেস বলেন, তার দেশে বিদ্বে’ষমূলক বক্তব্য অবৈধ। তিনি ঘৃণা থামা’তে তার কণ্ঠ সরব করে যাবেন। কারণ তিনি ভার’তের বন্ধু।


১০ টাকা দামের চালের তালিকায় আওয়ামিলীগ নেতার স্ত্রী মেয়ে সহ ১৩ জন।


প্রথম সময় ডেস্ক: ভিক্ষুক তালিকায়  স্ত্রী-মেয়েসহ ১৩ স্বজনের নাম ডিলারশীপ হারালেন ব্রাম্মনবাড়ীয়ার জেলা আওয়ামী লীগ নেতা

শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওই নেতার নাম মো. শাহ আলম। বুধবার বিকেলে তার ডিলারশিপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জেলা ওএমএস কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী জানিয়েছেন।

আইনে সুযোগ না থাকায় এ ঘটনায় ওই নেতার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করার পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। মো. শাহ আলম ব্রাহ্মণাবড়িয়া পৌরশহরের কাউতলী এলাকার ওএমএস-এর ডিলার ছিলেন।সূত্র: বিডিনিউজ২৪

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খাঁনের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে ৮৪ ধনী ব্যক্তি ও দ্বৈত নাম, এক পরিবারের একাধিক নাম এবং ঠিকানা খুঁজে না পাওয়া এমন আরও ৭ জনসহ মোট ৯১ জনের নাম ওএমএস বরাদ্দের কার্ডের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Friday, 15 May 2020

ঘুমিয়ে আছেন প্রশাসন ও ব্যারিস্টার সুমন

 হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সরকারি নগদ প্রণোদনার তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তালিকায় একই মোবাইল নম্বরের বিপরীতে একাধিক ব্যক্তির নাম ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মাঝে একটি মোবাইল নম্বরে ৯৯ জন, একটিতে ৯৭ জন, একটিতে ৬৫ জন ও একটিতে ৪৫ জনের নাম দেওয়া হয়েছে।

নম্বরগুলো চেয়ারম্যানের আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠজন বলে জানা গেছে। আবার একটি ওয়ার্ডে কোনো হিন্দু পরিবার বসবাস না করলেও সেই ওয়ার্ডের তালিকায় তিনজন হিন্দু ব্যক্তির নামও রয়েছে। রয়েছে অনেক বিত্তশালী ব্যক্তির নাম। আবার স্বামী-স্ত্রীর নামও এসেছে তালিকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুড়িয়াউক ইউনিয়নের নগদ টাকা পাওয়ার তালিকায় ১১৭৬ জনের নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

এর মাঝে ৩০/৩৫টি নম্বর একাধিক নামের সাথে প্রদান করা হয়েছে। ০১৯৪৪৬০৫১৯৩ নম্বরে দেওয়া হয়েছে ৯৯ জনের নাম। চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই আক্তার মিয়ার ০১৭৪৪১৪৯২৩৪ ব্যবহার করা হয়েছে ৯৭ জনের নামে। চেয়ারম্যানের চাচা শাকিল হক এর ০১৭৮৬৩৭৪৩৯১ নম্বর দেওয়া হয়েছে ৬৫ জনের নামে। চেয়ারম্যানের গোত্রের নবীর মিয়ার ০১৭৬৬৩৮০২৮৪ নম্বর দেওয়া হয়েছে ৪৫ জনের নামে। ১০/১২ জন করে নাম ব্যবহার করা হয়েছে অন্তত ৩০টি নম্বরে।

এদিকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো হিন্দু লোকের বসবাস না থাকলেও তালিকার ৯৫৮, ৯৬৫ ও ৯৭৩ সিরিয়ালের তিনটি নাম হিন্দু ব্যক্তি। আবার ওই ইউনিয়নের বিত্তশালী আক্কল আলীর ছেলে সাবউদ্দিন এর নাম এসেছে তালিকায়। আরো অনেক বিত্তশালীর নাম পাওয়া গেছে তালিকায়।

তালিকার ১৬১ ও ১৬৩ নম্বর লোক দুজন স্বামী-স্ত্রী। তালিকার ৯৫১, ৮৫৫, ৮৫৩, ৮৫২, ৮৫১ ও ৭৮৪ নম্বর এর ছয়জন একই পরিবারের।মুড়িয়াউক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাই জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং এর নির্দেশে তিনি ১১৭৬ জনের মধ্যে আমরা ৭৩০ জনের নাম মেইল করি।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তার সিএ, স্টাফ দুর্লভ ও পিআইও অফিসের মঈন উদ্দিন মিলে অবশিষ্ট তালিকা করেন। পরে ইউএনও এবং তার সিএর করোনা হলে তারা আইসোলেশনে যান। ফলে তালিকার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

আর তালিকাটি ছিল খসড়া। আমার কোনো স্বাক্ষর নেই। কোনো টাকাও দেওয়া হয়নি। মূলত আমার প্রতিপক্ষ আমাকে ঘায়েল করতে খসড়া তালিকা নিয়ে অপপ্রচার করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার সরকারি নম্বরটি কেউ রিসিভ করেননি। লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ জানান, শুধু মুড়িয়াউক ইউনিয়নই নয় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নেই তালিকায় এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

তালিকা প্রণয়নে আমাদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয়নি। চেয়ারম্যান মেম্বাররা নিজেদের লোকের নাম ও এক নম্বরে অনেক নাম ব্যবহার করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষক প্রেরণ করে যাচাই করলেও অনেক অনিয়ম রয়েছে।

আবার অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান, মেম্বার থাকলেও দলের দরিদ্র লোকজনের নাম না দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীর নাম দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর ও শ্রমজীবীদের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০ লাখ পরিবার আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন। এই অর্থকে সঙ্কটে পড়া মানুষদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বলছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার প্রথানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

সুত্রঃ কালের কন্ঠ